আজ শুক্রবার, ২২শে ফাল্গুন, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ, ৭ই মার্চ, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ

“মামার মাজারে মুরিদ না হইয়া কেউ মাদক বেচতে পারে না

সংবাদচর্চা রিপোর্ট:
একটি ভিডিওতে দেখা গেছে, একটি রুমে ৩ জন ব্যক্তি কথা বলছে। এর মধ্যে একজন বলছেন ২০ হাজার তো ২ অফিসে লাগবো। আরও একজন বলছে, শোন ২০ হাজার টাকা সন্ধ্যায় দিয়ে দিবি। জবাবে ৩য় জন বলছে, রাতের মধ্যে কিস্তি দিলে তার কাছ থেকে নিয়ে আসবো…..। (ভিডিও সংরক্ষিত)
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভিডিও’র ২য় ব্যক্তিটির নাম খোকন প্রধান। নিজেকে সাংবাদিক পরিচয় দেয়। তিনি বর্তমানে ঢাকা টুডে টাইমস অনলাইন পোর্টালের পরিচয় দেয়। আরেটি অডিওতে শোনা যায়, ‘মামা ভাগ্নেরে মাফ কইরা দেন (মাদক ব্যবসায়ী)।’ অপর আরেকজন বলছে, ২ নম্বর ব্যবসা করলে সবার সাথে সর্ম্পক রাখতে হবে। তোমারে তো দারোগায় খোঁজে। এগুলো সব বাদদে আমার সাথে তোমার সর্ম্পক আছে কাউরে বলার দরকার নাই।
মাদক ব্যবসায়ী বলছে, আপনি যদি আমারে ভাগিনার চোখে দেখেন তাহলে একটা কথা বলতে চাই। মামা আপনার কথার অবাধ্য হবো না।
অডিও’তে আরো শোনা যায়, তুমি কোন জায়গা থেকে মাল নিবা সেটা তোমার ব্যাপার আমার এইসব লাইন ঘাট নাই। তবে আমি তোরে খোচামু না, কোন দারোগা তোর কথা জানতে চাইলে জানামু না। তয় কমু আগে এই ছেলে এক সময় করতো এখন করে না ভাল হইয়া গেছে। আর তোরে কোন দারোগা ডিস্টার্ব করলে কমু খায়- বিক্রি করে না। আর নিউজ করতাম না। তোর জন্য এতটুকু করতে পারমু। আর বেশি ডিস্টার্ব করলে টাকা পয়সা দিয়া ব্যবস্থা কইরা দিতে পারমু। কিছু দিন আগে ধরা পড়লি দেড় লক্ষ টাকা নষ্ট করলি। ১০ হাজার টাকা মামারে দিতি, আমি ব্যবস্থা করতাম। তুই জেল থেকে বাইর হওয়ার পর এখন আবার মাল বেচা শুরু করছোস, আমার কাছে খবর আছে। বিকাশ নাম্বার দেই মামারে ইজ্জত কর। আজ তো মঙ্গলবার শুক্রবার ইন্ডিয়ায় যামু, তুই এই দুইদিন মাল বিক্রি কর। শুক্রবার আসরের পর তোরে ফোন দিমু দেখমো মামারে কি করছ। স্টেশনে মাল (মাদক) বিক্রি করতে হইলে আমার মাজারের মুরিদ না হইয়া কেউ চলতে পারে নাই। তোরে আর কোন ক্ষতি করমু না। দেখমু মামারে কি করছ। ২০ হাজার দিবি না। যা কাহিনী করিস না ১০ হাজার দিস। আর আমার সাথে তোর কি হইবো সেটা কেউ যেন না জানে, ঠিক আছে। শুক্রবার আসরের সময়ে ফোন দিমু। (অডিও সংরক্ষিত)

এ ঘটনার বিষয়ে জানতে খোকন প্রধানের সাথে মুঠো ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি দৈনিক সংবাদচর্চাকে বলেন, ভিডিও’র ঘটনা জানি। এটা একটা বিচার হয়েছিল। সেখানে ৫-৬ জনের সাথে বসেছিলাম। এলাকার ছোট-খাট বিচার আচারে বসি। (প্রতিবেদক) ২০ হাজার টাকার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমাকে নিয়ে বিভিন্ন সময় ষড়যন্ত্র করছে। বিভিন্ন সময় মাদকের প্রতিবাদ করি তাই আমার বিরুদ্ধে এই ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। আমার কথা অংশিক ও তারা পরিকল্পিত ভাবে নিয়েছে দুইবার ফোন করে। একটা নাম্বার থেকে ফোন করে ২ মিনিট কথা বলার পর আরেকটা নাম্বার থেকে ফোন করে। আমার বিরুদ্ধে ফাঁদ পাতা হয়েছে। সাময়িক ভাবে আমার সম্মান নষ্ট হবে। কিন্তু তাদের বিচার করবে আল্লাহ।